ঢাকাTuesday , 15 April 2025
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চলচ্চিত্র পরিচালক হারাম খানকে গণপিটুনি!

Link Copied!

তিনি চলচ্চিত্র পরিচালক হারাম খান। কিন্তু তার নেই কোন আরাম। কেননা, তিনি নামে যেমন হারাম খান,কাজ কর্মেও তেমন।হালাল বা সৃজনশীলতার ধার ধারেন না। অশ্লীল কথাবার্তা, সংলাপ আর বাজে অঙ্গভঙ্গিই তার চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য। এখানেই তিনি ক্ষান্ত নন, চলচ্চিত্রের রঙিন ভুবনে নতুনদেরকে সুযোগ দেয়ার নামে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা।
তেমনি চলচ্চিত্র নামক রূপালী পর্দায় নিজেকে দেখতে ইমরান খাসমি (আসিফ খান)নামে এক স্বপ্নবান তরুণকে করেছেন নিঃস্ব।নিজ মেসের সদস্য সুদর্শন ইমরান খাসমিকে চলচ্চিত্রের অভিনেতা বানানোর কথা বলে কয়েক দফায় মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুরিয়েছেন।শেষ পর্যন্ত ইমরান খাসমিকে (আসিফ খান) হাতে রাঙা মূলা ধরিয়ে দিয়েছেন।
এখানেই শেষ নয়,নিজ মহল্লাতেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা।যেন ঢাক ঢাক গুড় গুড় ভাব। আস্তে আস্তে দিন গড়িয়ে যায়। মহল্লাবাসীরও ধর্য্যৈর সীমা পেরিয়ে যায়।একসময় মহল্লাবাসী ফুঁসে ওঠে। একদিন সামনে পেয়ে যায় অশ্লীল পরিচালক খ্যাত হারাম খানকে।তাঁকে ধরে দেয়া হয় উত্তম মাধ্যম অর্থাৎ গণপিটুনি। পুরস্কারস্বরূপ উপহার দেয়া হয় জুতার মালা।তাঁকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে ঘুরানো হয় পুরো মহল্লা।খবর পেয়ে ছুটে যান মেস ম্যানেজার তোতলা কামাল (এস,এ,এম সুমন)।শেষ রক্ষা করেন তিনি। ফিরিয়ে নিয়ে যান নিজ মেসে। বাস্তবে কোন চলচ্চিত্র পরিচালককে উত্তম মাধ্যম বা গণপিটুনি না দিলেও নাটকটিতে চলচ্চিত্র পরিচালক হারাম খানকে এমন দৃশ্যে তুলে ধরা হয়েছে। এভাবেই “ব্যাচেলর প্রো ম্যাক্স” নাটকের একটি দৃশ্যে দেখা যাবে স্বনামধন্য টিভি অভিনেতা মুন্না অনিককে।।
মুন্না অনিক ছাড়াও এই দম ফাটানো হাসির নাটকটির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন এস,এ,এম সুমন , খোন্দকার এরফান বিপ্লব, মাহবুব দাদা ভাই, ইমরান নায়ক, রিমন সোহেল,সিমান্ত, তানিশা শিলা, জান্নাত, পাখি, সানজানা, জ্যোতি ইসলাম,আসিফ খান, কোয়েল শিলা পাল, মিজান, সোহেল আহমেদ, আনোয়ার, মালিহা মিম, কিশোর ডি কস্তা, লিটন মামা, অনিক হোসেন ,মিজানুর রহমান জাহাঙ্গীর, ও শিশু শিল্পী মাষ্টার তিমনসহ আরো অনেকে।

নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা এইচ এম পিয়াল। সম্পাদনা ও ডিওপি হিসেবে কাজ করেছেন ইরকে মানিক।কারিগরি সহযোগিতায় ইভেন্ট এশিয়া ও ম্যাগাজিন পার্টনার হিসেবে রয়েছে জনপ্রিয় পাক্ষিক আনন্দ বিনোদন।এটি স্বনামধন্য ঢাকা মডেল এজেন্সি’র একটি প্রোডাকশন।

উল্লেখ্য, গেল ঈদুল ফিতরের চাঁদ রাতে নাটকটি উন্মুক্তের পর ইতোমধ্যেই দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ও হইচই ফেলেছে। পর্যায়ক্রমে দীর্ঘ এই ধারাবাহিক নাটকের বিভিন্ন পর্ব দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা এইচ এম পিয়াল।

নিউজটি শেয়ার করুন