রাজধানীর শ্যামপুর থানার মীরহাজীরবাগে লাকি আক্তার (১৭) গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে স্বামী সজীব পলাতক রয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টিনশেড বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে তার ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত লাকির বাড়ি ভোলার সদর থানার রতনপুর গ্রামে। সে ওই এলাকার মো. হারুনের মেয়ে ছিল।
শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিকেলে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ঘরের মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে ছিল।
এসআই আরও বলেন, নিহতের স্বামী সজিবকে নিয়ে ওই বাসায় দেড়মাস ধরে ভাড়া থাকতেন লাকি। প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানতে পারি, সোমবার রাতে তাদের ঘরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রচুর ঝগড়ার আওয়াজ পান তারা। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি ওই বাসায়। ঘরে দরজাও বাইরে থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। এক পর্যায়ে প্রতিবেশীরা দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিলে দেখতে পান, লাকি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। এরপর তারা থানায় খবর দেন।
পুলিশের ধারণা, সোমবার রাতের কোনো এক সময় সজিব তার স্ত্রী লাকিকে হত্যা করে ঘরেই মরদেহ রেখে পালিয়ে গেছে। স্বামী সজীবকে গ্রেফতার করা গেলে ঘটনার বিষয় জানা যাবে বলে যান তিনি।


