ঢাকাTuesday , 10 March 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বন্ধ হওয়ার শঙ্কা রেস্তোরাঁ

Link Copied!

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আমদানিতে বিঘ্ন ঘটায় ভারত সরকার আজ মঙ্গলবার প্রাকৃতিক গ্যাস ও রান্নার গ্যাস সরবরাহে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এতে দেশজুড়ে বহু রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর চতুর্থ বৃহত্তম ক্রেতা এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)’র দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা। রান্নার কাজে ব্যবহৃত এই গ্যাসের বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা হয়।

মুম্বাই থেকে এএফপি জানায়, ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জারি করা এক নির্দেশনায় জানায়, ‘মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে এলএনজি পরিবহনে বিঘ্ন ঘটেছে।’

মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন এই নীতিমালার লক্ষ্য হলো ‘অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা এবং সরবরাহ অব্যাহত রাখা’।

এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এলএনজি সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে গৃহস্থালি ব্যবহার, পরিবহন খাত এবং এলপিজি উৎপাদনে।

তবে সার কারখানা ও চা শিল্পসহ অন্যান্য খাতে গ্যাস সরবরাহ চাহিদার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখা হবে, যা ‘কার্যক্রমগত প্রাপ্যতার ওপর নির্ভরশীল’।

এই ঘাটতি সামাল দিতে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ করা গ্যাস আংশিক বা পুরোপুরি কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।

ভারতের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সিরামিক ও টাইলস উৎপাদনকারী কয়েকটি কোম্পানি, ইতোমধ্যে জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় তাদের উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে।

দেশজুড়ে রেস্তোরাঁ ও হোটেল খাতও কার্যক্রমে বিঘ্নের আশঙ্কা জানিয়েছে। কারণ সোমবার আরেকটি সরকারি নির্দেশনায় গৃহস্থালি খাতে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

ভারতের জাতীয় রেস্তোরাঁ সমিতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকারের এই নির্দেশনার ফলে দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহকারীরা রেস্তোরাঁগুলোতে সরবরাহ বন্ধ করার ইঙ্গিত দিয়েছে।

সংগঠনটি বলেছে, ‘রেস্তোরাঁ শিল্প মূলত বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। এতে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে অধিকাংশ রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।’

দক্ষিণ ভারতের প্রযুক্তিনগর মুম্বাইঁ-ভিত্তিক একটি হোটেল শিল্প সংগঠনের প্রধান পি সি রাও বলেন, পরিস্থিতি ‘খুবই সংকটপূর্ণ’।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহে আঘাত লেগেছে এবং অনেক ছোট প্রতিষ্ঠানের কাছে এক থেকে দুই দিনের মজুত আছে।’

‘বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে হয়তো ১০ দিনের মতো মজুত আছে। এখন পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে অনেকেই তাদের মেনু পরিবর্তন বা সীমিত করার কথা ভাবছেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন