ড. আব্দুল মোমেন বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক আমাদের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের কাছে একটি মডেল কান্ট্রি। সংস্থাটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটন ডিসি সফর করছেন। বিশ্বব্যাংক নিশ্চয়ই আমাদেরকে সম্মান দিয়ে হয়তো বড় ধরনের একটি প্রজেক্ট প্রপজাল দেবে।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান। আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প পরিচালক ড. আহমেদ কায়কাউস ও বাইডেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিশ্বব্যাংকের আমন্ত্রণে শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে তার বোন শেখ রেহানাও রয়েছেন এবারের সফরে।
আজ শনিবার ২৯ এপ্রিল বিকেলে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফর শুরু হবে। বিশ্বব্যাংকে পয়লা মে সকাল ৯টায় সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট এইচ ই ডেভিড ম্যালপাসের সঙ্গে যৌথভাবে চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ‘রিফ্লেকশন অন ফিফটি ইয়ার্স অব ওয়ার্ল্ড ব্যাংক-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ’ উদযাপনের কার্যক্রম। দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য সব কর্মসূচিতে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
পরের দিন দোসরা মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউএস চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট ও সিইও সুজেন পি ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক করবেন। একই দিন একটি উচ্চ পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীদের একটি সংবর্ধনায় অংশ নেবেন তিনি। আগামী ৪ মে লন্ডনের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করার আগে বিশ্বখ্যাত দি ইকোনমিস্ট পত্রিকাকে সাক্ষাৎকার দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


