ঢাকাWednesday , 20 December 2023
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকা-১৮ আসনে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ নেতা আহত

Link Copied!

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসানের সমর্থকদের সঙ্গে একই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. খসরু চৌধুরীর সমর্থকদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকায় গতকাল সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে আজাদ ও টিপু আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. খসরু চৌধুরী কেটলী প্রতীক পাওয়া পর আনন্দ মিছিল বের করে তাঁর সমর্থকেরা। মিছিল শেষে রাজলক্ষ্মী এলাকায় আসলে বর্তমান এমপি হাবিব হাসানের সমর্থকেরা খসরুর সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে খসরু চৌধুরীর সমর্থক আজাদ ও টিপু আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আজাদ উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, খসরু চৌধুরীর সমর্থকেরা মিছিলকালে রাজলক্ষ্মীর প্রধান সড়কের পেছনের রাস্তায় থাকা দোকানপাট সরাতে বলে। তাঁর কেউ কেউ কয়েকটি দোকানপাটে ধাক্কাও দেয়। এদিকে ফুটপাতটি নিয়ন্ত্রণ করছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের লোকজন। একে কেন্দ্র করেই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী খসরু চৌধুরীর সমর্থক ও উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগ নেতা এ কে আজাদ বলেন, ‘আমি সোমবার রাতে রাজলক্ষ্মী এলাকায় বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়ে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। এ সময় ফাহিম, ফজলে রাব্বি, সিয়াম, শাকিল, মামুন, রাজন, জয়সহ ৪০-৫০ জন সন্ত্রাসী এসে আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে। হামলাকারীরা সবাই বর্তমান এমপির লোকজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা আমাকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে এবং চোখমুখ জখম করেছে। আমি এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

এ বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসান মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বলেন, ‘খসরু চৌধুরীর সমর্থকেরা একটি মিছিল বের করেছিল। পরে তাঁদের সঙ্গে ওই এলাকায় কিছু লোকের কথা কাটাকাটি হয়েছে। সেটা থেকেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।’

ওসি হাসান বলেন, ‘আমরা যাওয়ার আগেই সব শেষ হয়ে গিয়েছে। এখনো কোনো অভিযোগ পাই নাই। পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নেতা-কর্মী সূত্রে জানা গেছে, এ কে আজাদ হামলার পর থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসা শেষে তিনি থানায় অভিযোগ দেবেন।

অপরদিকে হামলার পরপরই উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম জানান, হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন