গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত থাকা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস-১ শাখার উপসচিব সাক্ষরিত এক অতি গোপনীয় চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ২২ অক্টোবর সাক্ষরিত চিঠিটি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়। এসব সাংবাদিকের আর্থিক বিষয়াদি খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকেও (বিএফআইইউ) চিঠি দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।
তালিকায় থাকা সাংবাদিকরা হলেন- বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, দৈনিক কালবেলার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, ডিবিসির হেড অব নিউজ জায়েদুল হাসান পিন্টু, এবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়, কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, এটিএন নিউজের জহিরুল ইসলাম মামুন (জই মামুন), বাংলা ইনসাইডারের সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবী, নয়াদিল্লী হাই কমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিটি এডিটর মির্জা মেহেদী তমাল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের চিফ রিপোর্টার জুলকারনাইন রনো, সাংবাদিক আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মধু সুদন মণ্ডল, ডিবিসি নিউজের মাসুদ আইয়ূব কার্জন, আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক মইনুল আলম, সাংবাদিক ফরাজী আজমল হোসেন, বৈশাখী টেলিভিশন অশোক চৌধুরী, নিউজ টোয়েন্টিফোরের এক্সিকিউটিভ এডিটর রাহুল রাহা, ডেইলি সান সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, নিউজ টোয়েন্টিফোরের ডেপুটি চিফ নিউজ এডিটর ও হেড অব ডিজিটাল আশিকুর রহমান শ্রাবণ, যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি (সাবেক) আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্বদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রতন, দৈনিক মুখপাত্র সম্পাদক শেখ জামাল হোসেন, ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি আদিত্য আরাফাত, এটিএন নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি তাওহিদুল ইসলাম সৌরভ, যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি শেখ মামুনুর রশীদ, সাংবাদিক শ্যামল সরকার এবং দৈনিক ইত্তেফাকের নগর সম্পাদক আবুল খায়ের।


