ঢাকাMonday , 16 March 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল এলাকায় ইকো পার্ক করার ঘোষণা

Link Copied!

মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল এলাকাকে দৃষ্টিনন্দন ও বহুমুখী ব্যবহারের জন্য ইকো পার্কে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান থেকে গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং সার উৎপাদন সম্ভব হবে। কোরিয়ান একটি কোম্পানির সঙ্গে কথাবার্তা চলছে এবং এগ্রিমেন্ট সম্পন্ন হলে ২০২৬ থেকে প্রকল্পটি কার্যকর হবে।

আজ সোমবার রাজধানীর মাতুয়াইলে ল্যান্ডফিল্ড কম্পোস্ট প্ল্যান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রাজধানীর ল্যান্ডফিল এলাকায় আগুন লাগা, দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আমি জানি আপনারা স্থানীয় বাসিন্দার অসুবিধায় আছেন। আপনারা যে ভোগান্তি অনুভব করছেন, সেটি মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী, জনগণকে এইভাবে ভোগান্তি দেওয়া যাবে না। যত দ্রুত সম্ভব পরিস্থিতি উন্নত করতে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে আগের মতো পরিস্থিতি থাকবে না। ঘনঘন আগুন লাগা ও দুর্গন্ধ ছড়ানো রোধে ময়লার উপরে আচ্ছাদন ও মাটি দেওয়া হয়েছে। কাজের অগ্রগতি প্রায় ৪০% সম্পন্ন হয়েছে। কাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগা বন্ধ হবে এবং আশেপাশের পরিবেশ দূষণ রোধ করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, ল্যান্ডফিলে স্থায়ীভাবে অগ্নিনির্বাপনের জন্য ১৮১ একর জায়গায় ৪০টি পানির হাইড্রেট স্থাপন এবং পানির লাইনের সংযোগসহ জলাধার নির্মাণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, হঠাৎ আগুন লাগলে তাৎক্ষণিক নেভানোর জন্য নতুন করে ছয়টি পোর্টেবল পাম্প ক্রয় করা হয়েছে। নিজস্ব পানির গাড়ি, ভারী যন্ত্রপাতি এবং ফায়ার ব্রিগেডের সহায়তায় তাৎক্ষণিক আগুন নেভানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে এই এলাকা বহুমুখীভাবে ব্যবহারযোগ্য করা হবে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, দৈনন্দিন ময়লার মূল্যবান উপাদানগুলো পুনর্ব্যবহার ও রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছি। আপনারা সহযোগিতা করলে আমরা দ্রুত কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারব।

আগুন লাগার কারণও ব্যাখ্যা করে প্রশাসক বলেন, আগে এখানে মাঝে মাঝে আগুন লাগত। অনেকেই বলতেন, যারা নেশাগ্রস্ত তারা আগুন লাগায়, কেউ কেউ বলতেন বিভিন্ন কারণে। আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি, এখান থেকে যে লিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয়, সেখান থেকেই আগুন লাগে। তাই প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন