ঢাকাWednesday , 22 March 2023
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রমজানের আগেই জমজমাট ঈদের বাজার

Link Copied!

রমজান শুরুর আগেই চট্টগ্রামে জমে উঠেছে মার্কেটগুলো। এরই মধ্যে দোকানে দোকানে দেখা যাচ্ছে বাহারি নতুন ডিজাইনের কাপড়। রমজানে পণ্যের দাম বাড়ায় শঙ্কা থেকেই আগে-ভাগে মার্কেটে ভীড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। বিভিন্ন দোকানে ইতিমধ্যে টাঙানো হয়েছে বিক্রয়মূল্যে ছাড়ের ব্যানারও।

নগরীর নিউমার্কেট, পুলিশ প্লাজা, রিয়াজউদ্দীন বাজার, হকার মার্কেট, পাহাড়তলী সিডিএ মার্কেট, স্যানমার, ফিনলে স্কয়ার ও সেন্ট্রাল প্লাজা ঘুরে দেখা যায়- ক্রেতারা পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস ও বোরকার দোকানে ভিড় করছেন। বেশ কিছু দোকানে বিক্রয়মূল্যে ছাড়ের ব্যানারও টাঙানো হয়েছে। তবে ক্রেতাদের আকর্ষণ নতুন ডিজাইনের পোশাকে। এছাড়া জর্জেট কাপড়ের থ্রি-পিস, হিজাব-বোরকাসহ বাচ্চাদের কাপড় কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। তবে আমিন সেন্টার, ইউনেস্কো ও আফমি প্লাজার চিত্র খানিকটা ভিন্ন। সেখানে এখন তেমন একটা ক্রেতার আনাগোনা দেখা যায়নি।

হকার মার্কেটে পরিবার নিয়ে আসা রুহুল আমিন ভোরের পাতাকে বলেন, বেতন পেয়ে কিছু টাকা সঞ্চয় করেছি। তা নিয়েই শপিং করতে আসলাম। রমজানে নিশ্চয় পণ্যের মূল্য আরও বাড়বে। এখন অনেকটা কম দামেই কাপড় কিনতে পারছি।

সৈয়দ ইব্রাহিম। তিনি একটি এনজিওতে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে থাকেন নগরীর চান্দগাঁওয়ে। পাহাড়তলী সিডিএ মার্কেটের দেখা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, ‘রমজানে রোজা রেখে শপিং করা কষ্টকর। এছাড়া দোকানে নতুন কালেকশনের খবর ফেসবুকে ও তাদের ম্যাসেজে দেখেছি। তাই রমজানের আগে কেনাকাটা পর্ব শেষ করতে এসেছি। এখনতো সবকিছুরই দাম বাড়তি। কিন্তু পরেতো দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই দেরি করে কেনাকাটা করতে গিয়ে কষ্ট ও দাম বাড়ার সুযোগ কেন দেবো?’

অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ থাকার পরও মার্কেটে ঘুরে কেনাকোটা করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ প্লাজায় আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘ঈদের শপিং মার্কেট ঘুরে করতে না পারলে তো কোনো মজা থাকে না। তাই মার্কেট ঘুরে কিনতে আসলাম। এছাড়া অনলাইনে কেনাকাটায় একটা রিস্ক থাকে। মার্কেটে আসলে দেখেশুনে দর করে নেওয়ার একটা সুযোগ থাকে।’

সিডিএ মার্কেটের ব্যবসায়ী ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, ‘কাপড়ের কালেকশন শবে বরাতের পর থেকেই চলে আসছে। তবে পাইকারি পর্যায়ে কাপড়ের দাম একটু বেশি। ক্রেতারা এটা মেনে নিয়েছে। এখনতো সবকিছুর দাম বাড়তি। নতুন ডিজাইনের লেহাঙ্গা, থ্রি-পিস, কুর্তিসহ বাচ্চাদের বিভিন্ন পোশাক এসেছে। আশা করছি, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের বিক্রি ভালো হবে।’

ঈদের কেনাকাটা প্রসঙ্গে বিপণি বিতান মার্চেন্টস ওয়েলফেয়ার কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ খুরশিদ আলম বলেন, ‘এবার ঈদের প্রায় সব কালেকশন চলে এসেছে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা বলেছি, কেনা দামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করার জন্য। ক্রেতারা যেন কোনোভাবে শপিং করতে এসে বিব্রত না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে বলা হয়েছে। বিক্রিত পণ্য পছন্দ না হলে ক্রেতারা ফেরত দেবেন। এ নিয়ে যেন কোনো সমস্যা না হয়। এসব দেখার জন্য আমরা একটি মনিটরিং টিম রাখবো। এবার আমাদের বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা গতবারের চেয়ে বেশি। গতবার আমরা প্রায় ১৫০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছি। এ বছর আমরা ২০০ কোটি টাকার বেশি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। এজন্য সকল দোকানিকে ক্রেতাবান্ধব আচরণ করতে বলা হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন