ঢাকাSunday , 18 September 2022
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুকুটধারীর ১২ বাড়ি

নগর প্রতিদিন
September 18, 2022 8:37 am
Link Copied!

:: নগর প্রতিদিন ডেস্ক ::
ব্রিটেনের নতুন রাজা তৃতীয় চার্লস। মুকুটের সঙ্গে পেয়েছেন কিছু বাড়িও। সবমিলিয়ে এখন তিনি ১২ বাড়ির মালিক! অবশ্য এর মধ্যে কয়েকটি ব্যক্তিগত সম্পত্তি। বাকিগুলো প্রপার্টি অব ক্রাউন। অর্থাৎ যার মাথায় মুকুট থাকবে তিনিই মালিক। বিভিন্ন ধরনের বাসস্থান-কোনোটা প্রাসাদ দুর্গ, কোনোটা আবার কটেজ আকৃতির। এর মধ্যে কিছু সুপরিচিত প্রাসাদও আছে। কিন্তু থাকার জন্য এখন কোনটি বেছে নেবেন রাজা-প্রশ্ন সেখানেই। রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা বলছেন, বসবাসের সব সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সবকটি বাড়ি ব্যবহার করবেন না রাজা। বিবিসির তালিকায় উঠে আসা প্রাসাদগুলোর বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো।
বাকিংহাম প্রাসাদ : মধ্য লন্ডনে অবস্থিত প্রাসাদটি রাজপরিবারের সবচেয়ে জনপ্রিয় চিহ্ন। ৭৭৫ কক্ষবিশিষ্ট। ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের প্রশাসনিক সদর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ১৮৩৭ সাল থেকে।
উইন্ডসর দুর্গ : বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীন বসতির চিহ্ন বলা হয় এই দুর্গটিকে। প্রতি সপ্তাহান্তে এখানে সময় কাটাতেন প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
দ্য প্যালেস অব হলিরুডহাউজ : স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবার্গের রয়াল মাইলে অবস্থিত। রাজার স্থানীয় রাজপ্রাসাদ এটি। বাকিংহাম প্রাসাদ এবং উইন্ডসর দুর্গের মতো মুকুটের সঙ্গে প্রাসাদটির মালিক হয়েছেন রাজা তৃতীয় চার্লস। ২৮৯ রুম আছে প্রাসাদটিতে।
হিলসবুরো দুর্গ : ১৮ শতকে নির্মিত কান্ট্রি হাউজটি উত্তর আয়ারল্যান্ডে অবস্থিত। রাজার আরেকটি আঞ্চলিক রাজপ্রাসাদ। রাষ্ট্রটির সেক্রেটারি অব স্টেটের সরকারি বাসভবনও হিসাবেও ব্যবহৃত হয় দুর্গটি। রাজমুকুটের সঙ্গে পাওয়া আরেকটি রাজবাড়ি।
হাইগ্রোভ হাউজ : বর্তমানে অবশ্য এই এস্টেটটির মালিক রাজার প্রথম ছেলে ডাচি অব কর্নওয়াল। প্রয়াত প্রথম স্ত্রী লেডি ডায়ানার সঙ্গে এখানে বসবাস করতেন রাজা তৃতীয় চার্লস।
স্যানড্রিংহাম হাউজ : নরফোকে অবস্থিত কান্ট্রি হাউজটি অন্যান্য রাজপ্রাসাদের মতো নয়। রাজা ৭ম এডওয়ার্ড নিজে কিনেছিলেন বাড়িটি। উত্তরাধীকার সূত্রে এসেছে বাড়িটি।
বালমোরাল দুর্গ : আরেকটি ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি। প্রিন্স অ্যালবার্ট ১৮৫২ সালে ফারকিউহারসন পরিবারের থেকে বালমোরাল এস্টেটি কেনেন। কিন্তু বাড়িটি ‘ছোট’ হওয়ার ফলে এস্টেটিকে পরে একটি দুর্গে রূপান্তরিত করেন প্রিন্স এলব্যার্ট এবং রানি ভিক্টোরিয়া। অতঃপর এস্টেট থেকে দুর্গ নাম হয় এটির।
ক্ল্যারেন্স হাউজ : সেন্ট জেমস প্রাসাদ সংলগ্ন বাসস্থানটি বিয়ের পর রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের বাসস্থান ছিল। তিনি সিংহাসনে বসার পর এখানে রানি মা বসবাস করেছেন তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। রাজা তৃতীয় চার্লস সস্ত্রীক এখানে বসবাস করছিলেন ২০০৩ সাল থেকে।
লিনিওয়েরমড এস্টেট : রাজা তৃতীয় চার্লস ডাচি অব কর্নওয়াল থাকাকালীন ২০০৬ সালে কিনেন এ এস্টেটটি। তিন বেডরুম বিশিষ্ট এ এস্টেটটি মূলত একটি কটেজ। ওয়েস পরিদর্শনকালে এখানে থাকতেন তিনি।
ডামফ্রিস হাউজ : পাল্লাডিয়ান এই কান্ট্রি হাউজটি আইরশায়ারে অবস্থিত। কোনো রাজকীয় বাসভবন নয় এটি। কিন্তু এই জায়গাটির জন্য অনুদান সংগ্রহ করতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাকে। মা মারা যাওয়ার আগে এখানেই ছিলেন তিনি।
ক্যাসেল অব মে : স্কটল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব তীরে অবস্থিত প্রাসাদটির আদি নাম ব্যারোগিল প্রাসাদ। রানির মা ১৯৬৬ সালে কিনেন এটি। বর্তমানে প্রিন্স ফাউন্ডেশনের আওতায় আছে প্রাসাদটি।
ট্যামারিস্ক হাউজ : কর্নওয়ালের আইলস অব সিলিতে অবস্থিত। সোয়া একর জমির ওপর তৈরি বাড়িটি। প্রয়াত স্ত্রী এবং দুই ছেলের সঙ্গে এখানে থাকতেন রাজা তৃতীয় চার্লস। বর্তমানে হলিডে কটেজ হিসাবে ভাড়া দেওয়া হয় এটি।

নিউজটি শেয়ার করুন