ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের শান্তিপুরে গতকাল মঙ্গলবার সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।এলাকা ছাড়া রয়েছে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় ২৫ নির্যাতিত পরিবারের সদস্য।
আজ বুধবার সরেজমিনে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা শান্তিপুর গ্রামে গেলে সরল মেম্বার ও মতি মেম্বার ও তার অনুসারীদের ছাড়া আর কাউকে দেখতে পাওয়া যায়নি।
হামলা ও লুটপাটের স্বীকথার সাথী বেগম বলেন, ‘আমার পরিবারের সবাই ঘর ছাড়া।যে কোন সময় আবারো হামলার স্বীকার হতে পারি।অবিলম্বে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হোক।’
অন্যদিকে, এলাকায় অবস্থান কারী সরল মেম্বার বলেন, আমরা কোনো হামলা করিনি।প্রতিপক্ষ শিবু ও আজগর আলী গ্রুপ নিজেরাই নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীন কোন্দলে জড়িয়ে হামলা চালিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দিনভর টেটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দিনভর সংঘর্ষের ঘটনায় নারী – পুরুষ সহ ২৫ জন গুরুতর আহত হয়।তারা পার্শ্ববর্তী নরসিংদী জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সংঘর্ষ, লুটপাট, ভাঙ্চুরে বহুপরিবার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শামীম মেম্বার,জামাল গ্রুপের সদস্যরা মুঠোফোনে জানান, অবিলম্বে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হোক।আমরা বাড়িতে ফিরতে চাই।সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হোক।
এদিকে,আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো.দিদারুল আলম বাঞ্ছারামপুর পরিদর্শনে আসলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বাঞ্ছারামপুর থানার ওসিকে বিষয়টি দেখার জন্য বলেছি ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাবেদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, বাঞ্ছারামপুরের ওসি নতুন গিয়েছে একটু সময় দেন, ২-৩ দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।অনেকে অন্য জেলার টেটাবিদ্ধ ছবি দিয়ে নিউজ করেছে যা ঠিক নয়।
এদিকে,ওসি মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, হামলার ঘটনায় আহতদের কারো কাছ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


