পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের এক নেতার উপস্থিতি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী ও বিএনপি দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পরে উপজেলার মদনপুরা এলাকায় জাতীয়তা বাদী দল বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামকে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছে এবং তিনি মঞ্চে প্রধান অতিথিদের পাশেই বসেছিলেন।
এতে উপস্থিত কয়েকজন তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান।
হাসিনা সরকারের আমলে আবুল কালাম বিএনপির নেতা-কর্মীদের হয়রানী করেছেন। বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন জানানোর কারণে বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক বিএনপি নেতা বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার খুনী ফ্যাসিবাদী পতিত আওয়ামী সরকারের একটি অঙ্গসংগঠনের প্রথম শ্রেণীর নেতা বিএনপি কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বিষয়টি লজ্জাজনক।
এবিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘এটা ছিল গ্রামের মধ্যে একটা বিএনপির ছোট অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠান। এখানে দোয়ার অয়োজন করা হয়েছিলো। তাই মসজিদে যারা নামাজ পরেছে সকলেই সেখানে দোয়া মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগের ওই নেতা বয়জেষ্ঠ ও অসুস্থ’ থাকায় লোকেরা তাকে ডেকে চেয়ারে বসিয়েছে।’
বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এমন ঘটনা ঘটলে অবশ্যই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ উল্লেখ্য, শ্রমীকলীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের ডোনার হিসাবে পরিচিত। তিনি আওয়ামী লীগের সময়ে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার ছিলেন।


