পিরোজপুর শহরের যানজট, অচলাবস্থার নতুন নাম হয়ে উঠেছে ব্যাটারিচালিত অটো-রিকশার দৌরাত্ম্য ও ফুটপাত জবরদখল।
প্রতিদিনই শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। পথচারীদের নেই হাঁটার নিরাপদ জায়গা, যানবাহনের গতি ব্যাহত, আর দোকানদারদের দখলে চলে যাচ্ছে ফুটপাত।
বিশেষ করে জেলা প্রশাসনের সি অফিস থেকে কৃষ্ণচূড়া মোড় পর্যন্ত সড়কে প্রতিদিন ব্যাটারিচালিত অটো ও রিকশার নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থানের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। দাঁড়িয়ে থেকে যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতা, কোনো নির্দিষ্ট পার্কিং না থাকা এবং প্রশিক্ষণহীন চালকদের অনিয়মিত গতিবিধিতে বাড়ছে দুর্ঘটনা।
শুধু তাই নয়, শহরের দামুদার ব্রিজের দুই পাশে ফুটপাতজুড়ে ভ্রাম্যমান দোকান, ভ্যানচালিত সবজি ও ফল বিক্রেতারা রীতিমতো সড়কেই বাজার বসিয়ে চলেছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষের চলাচল এবং রাস্তায় তৈরি হচ্ছে যানজট ও বিশৃঙ্খলা।
সাম্প্রতিক এক ঘটনায়, পিরোজপুর পৌরসভার সার্ভেয়ার সুপতি হালদার চঞ্চল এক অটোর ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। পথচারীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে, এ অবস্থা হর-হামেশাই দেখা যাচ্ছে সড়ক গুলোতে।
স্থানীয় ট্রাফিক বিভাগ বলছে, অটো-রিকশার বিপুল সংখ্যাকে স্বল্প সংখ্যক ট্রাফিক সদস্য দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় বিশিষ্টজনদের মতে শহরের মধ্যে চলাচলকারী অটোর জন্য রুট নির্ধারণ করতে হবে এবং শহরের বাইরের অটো নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রবেশ সীমা নির্ধারণ করে দিতে হবে।
🔹 নাজিরপুরগামী অটো – সোহরাওয়ার্দী কলেজ পর্যন্ত
🔹 বেকুটিয়া রুটের অটো – সি অফিস পর্যন্ত
🔹 ইন্দুরকানি রুটের অটো – পুরাতন বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত
🔹 বলেশ্বর ব্রিজ পার হয়ে আসা অটো – টোল প্লাজা পর্যন্ত রুট নির্ধারণ করে দিলেই শহরের ভিতরের যানজট মুক্ত হবে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা।
এছাড়া, ফুটপাত দখল ও যত্রতত্র ভ্রাম্যমান দোকানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পাশাপাশি তারা পিরোজপুর ব্যবসায়ী সমিতির কাছ থেকেও কার্যকর অবস্থান প্রত্যাশা করেন।
শহরের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসক, পৌর প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের দ্রুত, সমন্বিত


