বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নিকুছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় মো. হোসেন (৩৪) নামে যুবক গুরুতর আহত হয়েছে। গত শনিবার দুপুর ১১টা ৪১ মিনিটের সময় ৪২ ও ৪৩ নম্বর সীমান্ত পিলারের মধ্যবর্তী জায়গা দিয়ে মিয়ানমার অভ্যন্তরে বাঁশ কাটতে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে যুবকের বাম পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
আহত মো. হোসেন কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার হলুদিয়া পালং ইউনিয়নের পাতাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা বাঁচা মিয়ার ছেলে বলে জানাগেছে।
তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,সীমান্ত এলাকার স্থানীয়দের সহযোগিতাই তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহতের মামা জসিম উদ্দিন জানান,“বাঁশ কাটতে গিয়ে স্থল মাইন বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে হোসেনের পায়ের নিছের অংশ উড়ে যায়।আমরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে,সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,গত দের মাসের মধ্যে, নাইক্ষ্যংছড়ি-মিয়ানমার” সীমান্ত এলাকার অন্তত ৯ জনের পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।এতে করে সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি এরকম দুর্ঘটনা এড়াতে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা এবং মাইকিং করে মানুষের মাঝে সাবধানতা সৃষ্টি করা জরুরী হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের।


