মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাঠের ঘর তৈরীর মার্কেটখ্যাত লৌহজংয়ের কনকসারের ইউনিয়নের কাঠপট্টি মার্কেটের সভাপতি ঘোষণা করা হলো মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব নূরে আলম ঢালীকে।
আজ শনিবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের কাঠপট্টি মার্কেটের ব্যাবসায়ী ও এই ব্যবসায়ের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলওয়াত এবং গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরুর ঘোষণা করা হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব নূরে আলম ঢালী।
এরপর সমাবেশে একে একে বক্তব্য রাখেন জসিম শরীফ,মফিজ উদ্দিন বেপারী,মালেক সরদার,মোঃ শাহজাহান,মুসলিম সরদার,মোহাম্মদ জুয়েল,মোহাম্মদ রানা শেখ,মো.ফয়সাল,কাবিল বাগ,হাজী আব্দুর রশিদ বেপারী,কিশোর মালো,মো. শাহজাহান,মো.বারেক,অপু বেপারী,ইদ্রিস হালদার,ফারুক হালদার,আব্দুল আলীম বেপারী,গোবিন্দ বাবু,মাসুদ ঢালী,বাদল ঢালী,কনকসার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি মনির মৃধা, ব্যাবসায়ী রব বেপারী সহ প্রমুখ।
সভায় বক্তারা একটি দাবিই উপস্থিত করেন দীর্ঘদিন যাবত আমাদের মার্কেটের কোন সভাপতি নেই। আমাদের অভিযোগ অনুযোগ শোনানোর মত কোন মানুষ নেই। আমাদের যে প্রাচীন ঐতিহ্য তা আজ বিলীনের পথে। কাঠের ব্যবসার জন্য যে কাঠপট্টি মার্কেট ছিল শীর্ষে তা আজ নেই বললেই চলে। দেলোয়ার ঢালীর মৃত্যুর পর আজ অবধি কাঠপট্টি মার্কেটের কোন কমিটি নেই। তার মৃত্যুর পর এখন পর্যন্ত পুরো মার্কেটটি আজ অভিভাবকহীন। এর প্রেক্ষিতে সবাই একযোগে আলহাজ্ব নূরে আলম ঢালীকে সভাপতি পদে সম্মতি প্রদান করেন। এবং পুরো কমিটির দায়ভার তা উপর ন্যস্ত করেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে নূরে এ আলম ঢালী বলেন,আমি দীর্ঘ চল্লিশ বৎসর যাবত গ্রামে তেমন ভাবে আসা যাওয়া করিনা। কিন্তু কদিন আগে দূর্ঘটনায় এক শ্রমিকের মৃত্যু তার মনকে ভীষনভাবে ব্যাথিত করে। তিনি অনুধাবন করেন এভাবে একটা মার্কেট চলতে পারেনা। তিনি ব্যাবসয়ীদের সততার সাথে ব্যাবসা পরিচালনার পরামর্শ দেন।
তিনি আরো বলেন, আজ থেকে সাত আট বছর আগেও কাঠপট্টির দুই মাথায় ২জন দারোয়ান ছিল কিন্তু আজ নাই। তিনি এই মার্কেটের শৃঙ্খলা বজায় রাখবে বলে ব্যাবসায়ীদের আশ্বস্ত করেন। এবং আগামি স্বল্প সমযের মধ্যে মার্কেটে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিবেন বলেও আশ্বস্ত করেন। সবশেষে মার্কেট থেকে একটি অনুদান মৃত মিস্ত্রীর হাতে অনুদান প্রদান করে সভার সমাপ্তি টানেন।


