ঢাকাTuesday , 2 December 2025
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল

তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে ডিসির বরাবর অভিযোগ

Link Copied!

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার নামে দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ দায়িত্বশীলদের একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ছকিনা বেগম ও তার মেয়ে মোছা. শিউলী বেগম দাবি করেছেন-চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিলেও শেষ পর্যন্ত কোনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি; বরং বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে চাইলে মা–মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক বরাবর ৩০ নভেম্বর অভিযোগ দাখিল করা হয়, অভিযোগপত্রে ছকিনা বেগম উল্লেখ করেন, তিনি ও তার মেয়ে Gausia Traders Security Cleaning & Logistic Services–এর মাধ্যমে আউটসোর্সিং ভিত্তিক চাকরি পাওয়ার আশায় প্রথমে শহীদের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান স্বপন, শহীদ, জুবায়ের ও মোশারফের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে কথাবার্তার পর চাকরির নিশ্চয়তা দিয়ে তাদের কাছ থেকে নগদ দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, চাকরির বিষয়ে জানানো হয়-হাসপাতালে ৬২ জন নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে, মাত্র একটি পদ খালি রয়েছে। সেই পদে শিউলী বেগমকে নেওয়া হবে এবং ছকিনা বেগমকে আপাতত গাইনি ওয়ার্ডে কাজ করতে হবে।
ছকিনা বেগম দাবি করেন, প্রায় ৬ মাস কাজ করার পর গত ১ নভেম্বর তিনি চাকরির অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান স্বপন জানান, চাকরি হবে না। টাকা ফেরত চাইলে তিনি ভয়ংকর হুমকি দেন-“আর ঝামেলা করলে যেকোনো মামলায় তোকে ডুকাইয়া দিব।” এরপর মা-মেয়েকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ছকিনা বেগম বলেন, “দুই লাখ টাকা দিয়ে চাকরির আশায় ছিলাম, এখন টাকা নাই, চাকরি নাই-উল্টো হুমকির মুখে জীবন কাটাচ্ছি।”
অভিযোগের সঙ্গে তিনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের কপি, রেজিস্টার খাতার পৃষ্ঠা ও অডিও রেকর্ড সংযুক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমানের বক্তব্য জানতে হাসপাতালে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, “অভিযোগকারী দালাল শ্রেণির লোক। আউটসোর্সিংয়ে জনবল নিয়োগ করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান, এখানে আমাদের কোনো হাত নেই। টাকার লেনদেনের বিষয়টিও ভুয়া।”
এদিকে অভিযোগ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া জানালেন, অভিযোগপত্রটি স্বাস্থ্য পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন