পটুয়াখালীতে তিন বন্ধু বারোমাসি তিন জাতের তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করে তরমুজের বাম্পার ফলনে তারা খুব খুশি। বাঁশের মাচায় ঝুলছে ছোট-বড় অসংখ্য তরমুজ।
পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠী গ্রামের তিন বন্ধু নাইম, আল-আমিন ও সবুজ ইউটিউব দেখে তরমুজ চাষ করা শিখেন। তারপর চাষে আগ্রহী হয়ে ৩ জন মিলে সিদ্ধান্ত নেন। উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় ৭০ হাজার টাকা খরচ করে মাত্র ২৫ শতাংশ জমিতে অফসিজন বাংলালিংক, পাকিজা এবং ফনিক্স জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেন। মাত্র ২ মাস ১৫ দিনে তরমুজ বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়। এখন তরমুজ বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি শুরু করেন তারা। এক একটি তরমুজ ৪-৮ কেজি ওজনের হয়েছে। প্রতিকেজি তরমুজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাইকাররা জমি থেকেই তরমুজ নিয়ে যাচ্ছে। পরে ট্রাকে করে চলে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে। প্রথমবারের মতো বৈরী আবহাওয়ার এ তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তারা। বারোমাসি এ তরমুজ চাষে প্রায় ৩ লাখ টাকা লাভ হবে বলে জানান তারা।
নাইম, আল-আমিন ও সবুজ বলেন, ইউটিউবে বিভিন্ন জায়গায় অফ সিজনাল তরমুজ চাষ দেখে আমরা এটি চাষে আগ্রহী হই এবং চাষ করার সিদ্ধান্ত নেই। ৬ মাসের মধ্যে আমাদের ভালোই ফলন হয়েছে। আশা করছি সব খরচ বাদ দিয়ে দ্বিগুণ লাভ হবে।
তাদের সাফল্য দেখে আশেপাশের অনেকেই এ বারোমাসি তরমুজ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এমনই একজন বলেন, আগামীতে আমার জমিতেও এ তরমুজ চাষ করবো। পটুয়াখালীর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে।


