ঢাকাMonday , 19 December 2022
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সনদসহ প্রয়োজনীয় সনদ প্রাপ্তি সহজীকরণের অনুরোধ

Link Copied!

জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু, ওয়ারিশ ও জাতীয়তা সনদসহ প্রয়োজনীয় সনদ প্রাপ্তি সহজীকরণ করতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনুরোধ জানান তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক সুজন স্থানীয় সরকারের উদ্যোগে সরকার বাংলাদেশে ২০২৪ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করার যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত এসব সনদ গ্রহণে হয়রানি এবং দুর্নীতিমুক্ত করা না যায় ততক্ষণ জনগণ এর সুফল লাভে বঞ্চিত হবেন।

সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, নতুন পাসপোর্ট তৈরি, বিবাহ নিবন্ধন, জমি রেজিস্ট্রেশন, মৃত্যুজনিত কারণসহ নানা কারণে প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের সনদ প্রয়োজন হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে এসব সনদ গ্রহণ করতে প্রায়ই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নতুন নিয়মে জন্ম নিবন্ধন সনদ গ্রহণে খুব বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য এমন সব তথ্য চাওয়া হচ্ছে যা প্রদান করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে সাধারণ নাগরিকদের। ফলত নাগরিক সাধারণ জন্ম নিবন্ধনসহ উক্ত সনদসমূহ সংগ্রহ করতে বেশ জটিলতার সম্মূখীন হচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিভাগে নানারকম ভাতা প্রদানের মধ্য দিয়ে সমাজের অনগ্রসর মানুষকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে সনদপ্রাপ্তি যদি জটিলতার সৃষ্টি করে তাহলে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে বিধায় এসব সনদপ্রাপ্তি সহজীকরণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগরের সুবিধা সম্প্রসারণে ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ ভাবনাকে যুক্ত করেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামকে নগরে পরিণত করা হবে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামগুলোতে বিদ্যুৎ যাবে, উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সেবা থাকবে, সুপেয় পানির ব্যবস্থা থাকবে, আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা হবে, শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত হবে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নত হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।

আর এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিনিয়তই দেশের নানা প্রান্তে ছুটে যাচ্ছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা। সরকারের এতো বৃহৎ একটি প্রকল্প স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন সুজন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার চট্টগ্রামে আগামী দিনের গুরুত্বকে মাথায় রেখে নানামূখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাই চট্টগ্রাম শহরের পাশাপাশি বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শুভ দৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক থাকাকালীন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করায় মন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন সুজন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম আন্তরিকতার সাথে সুজনের উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয় শুনেন। তিনি বিষয়গুলোর গুরুত্বের সাথে সহমত পোষণ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল এলাকাকে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এক্ষেত্রে কোন প্রকার বৈষম্য করা হচ্ছে না। তারপরও চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি সবসময় বিবেচনায় থাকবে বলে জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন