নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এসএসসি ব্যাচ ৮৫, চট্টগ্রামে’র মেগা গেট টুগেদার ২০২৩। ‘বন্ধুত্বের টানে ছুটে আসা, বন্ধুদের মহা বিস্ময় এসএসসি পঁচাশি ব্যাচ, বন্ধুত্বের বিজয়’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউতে এই আয়োজন করা হয়েছে। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মিলনমেলায় সারাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করেন প্রায় ৪ শতাধিক সদস্য।
মেগা গেট টুগেদার ২০২৩’র আহবায়ক মঈনুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ক্যাপ্টেইন আলমগীর কবির। আনুষ্ঠানের সদস্য সচিব ছিলেন হাসিবুল আলম মাসুদ।
‘এসএসসি ব্যাচ ৮৫, চট্টগ্রামে’র কল্যাণে সারাদেশের ১৭৫টি বিদ্যালয়ের প্রায় ৪২৫ জনের বেশি বন্ধু একসঙ্গে সারাদিন আড্ডা, খাওয়া, ছবি তোলা, নাচ, গানে মশগুল ছিল। ১৯৮৫ সালে এসএসসি পাস করা বন্ধুবান্ধব ছড়িয়ে আছে বিশ্বজুড়ে। একই ব্যাচের এবং একই বয়সের নারী-পুরুষের এই জমজমাট গেট টুগেদার ছিল ব্যতিক্রম। এখানে ছিল না কোনো অভিভাবক, এমনকি জুনিয়ররাও। ফলে নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতায় চমৎকার দিন উপভোগ করে সবাই। যেন হারিয়ে গেছেন সেই ৮৫ সালে, যখন তাঁরা এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল।
এম এ এম জসিম উদ্দিন বলেন, এই বয়সে সাড়ে ৪শ মানুষ একত্রিত হওয়া আসলেই কঠিন ব্যাপার। কিন্তু তবুও সবাই এসেছেন। বাংলাদেশের সকল ৮৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের একত্রিত করার চিন্তা করেছিল ক্লাব ৮৫ এর এডমিন মাহাবুব। তবে চট্টগ্রামে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং এই আয়োজনের প্রথম চিন্তা করেন শামীমা ফেরদাউস মিলি। এরপর সবার চেষ্টায় আসলে আমরা আজ একত্রিত হই।
অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া কামরুন নাহার পারভীন বলেন, আজকের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ছোটকালের দুরন্তপণায় ফিরে গেলাম। সেই ছোট বেলার প্রতিটি স্মৃতি খুব স্মরণ করি। বন্ধুত্বের টানে ৮৫ এর যে মিলনমেলা এখানে আসতে পেরে সেই দুঃখ যেন কিছুটা কমতে লাগলো।
তিনি বলেন, মনে হচ্ছে ছোট বেলায় হারিয়ে গিয়েছি। এত চমৎকার একটি প্লাটফর্ম দাঁড়াবে এমন কখনোই কল্পনা করিনি। আজ সবার চেহারা দেখে মনে হচ্ছে আমরা সেই ৮৫ সালেই ফিরে গেছি।
নোয়েল কাদের বলেন, স্কুল জীবনে ঠিক যেমন ভাবতাম, বন্ধুরাই সব-বন্ধুরাই সব কিছু, আজকের অনুভূতি ঠিক তেমনই। এই বয়সে এসে স্কুল জীবনের বন্ধুদের ফেরত পেয়েছি বিষয়টি আসলেই খুব প্রাপ্তির।


