ঢাকাSaturday , 1 April 2023
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাউজানে সমবায় সমিতির নারী কর্মীর আত্মহত্যা

Link Copied!

চট্টগ্রামের রাউজানে স্থানীয় একটি সমবায় সমিতির এক নারী কর্মী আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাউজান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোবারকখীল গ্রামের মনো সারাং বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জুবলী আকতার (২৮) নামে ওই নারীর মরদেহের সঙ্গে তিন পৃষ্ঠার একটি চিরকুট পেয়েছে পুলিশ। জুবলী ওই এলাকার আবদুস সালামের মেয়ে।

জানা যায়, গত ৮ বছর আগে কদলপুর ইউনিয়নের সোমবাইজ্জা হাট এলাকার জনৈক আজিজের সঙ্গে বিয়ে হয় জুবলী আকতারের। বছর না পেরোতেই তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। ওই সময় তার গর্ভে সন্তান ছিল।

পরে তার একটি ছেলে হয়। জিদান নামে ওই ছেলের বয়স এখন সাত বছর। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে আর বিয়ে করেননি জুবলী আকতার। ‘বৈশাখী শ্রমজীবী সমবায় সমিতি’তে হিসাবরক্ষকের চাকরি করে আসছিলেন তিনি।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি। চিরকুটে লেখা বিষয়গুলো তদন্ত করা হবে।

জুবলীর মরদেহের সঙ্গে পুলিশ যে চিরকুট উদ্ধার করেছে সেখানে লেখ আছে, ‘স্যার ওবাইদুল হক (উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা), আসসালামু আলাইকুম। স্যার ওরা আমাকে এই পৃথিবীতে আর থাকতে দিল না। বৈশাখীর (সমবায় সমিতি) জন্য আমি এই পৃথিবী থেকে চলে যেতে বাধ্য হলাম। আপনার থেকে পাওনা ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা মাকে দিয়ে দেবেন, প্লিজ স্যার। আমার মা যেন যারা টাকা পাবে তা পরিশোধ করতে পারে। আপনি দশ দিনের মধ্যে দিয়ে দেবেন স্যার প্লিজ।’

আরেক পৃষ্ঠায় লেখা আছে, ‘আমি যদি মারা যাই তার একমাত্র দায় হলো বৈশাখী অফিসের মালিক পপি, সাগর, অপুল, পপির বাবা আবদুল খাইয়ুম। ওরা সবাই মিলে আমার মাথায় মিথ্যা অপবাদ দেয়। পপির বরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আছে অপবাদ দিয়ে অফিস থেকে বের কর দেয়। আমি নিজে অফিস নিতে চাইলে সেখানে বাধা দেয়। অন্য অফিসে কাজ নেওয়ার পথও বন্ধ করে দেয়। ওরা আমার বেঁচে থাকার সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে। আর কোনো উপায় না পেয়ে আমি নিজের জীবন দিয়ে গেলাম। আর এ রকম অমানুষের কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তির দাবি জানিয়ে গেলাম দেশের প্রচলিত আইন ও সরকারের কাছে। ইতি জুবলী।’

জুবলীর টাকা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ওবাইদুল হক বলেন, তার সঙ্গে ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়নি। আমি তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। জিদান নামে একটি সমবায় সমিতির রেজিস্ট্রেশনের জন্য দিয়েছিল। সেই ৫ হাজার টাকা তার মাকে ফেরত দিয়ে দেব।

নিউজটি শেয়ার করুন