নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ব্যবসায়ী। উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা শিল্প নগরী স্কুল এন্ড কলেজের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মানববন্ধন করে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপ-প্রচার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পৌর-ভবনাথপুর এলাকায় তার নিজ বাসভবনে (স্বপ্ননীড়) সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ী হাজী মো.আব্দুল মতিন। এর আগে রোববার সকালে মেঘনা শিল্পনগরী স্কুল এন্ড কলেজের সামনে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল মতিন বলেন, মেঘনা শিল্পনগরী স্কুল এন্ড কলেজের সামনে ১০৩ শতাংশ সম্পত্তি রেকর্ডীয় মালিকদের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন। তার কাছে প্রয়োজনীয় মালিকানার সকল কাগজপত্র রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এর সুরাহাও হয়েছে। কিভাবে রেকর্ডীয় সম্পত্তি হয় এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কাগজপত্র নিয়ে বসলেই এটি ব্যক্তি সম্পত্তি নাকি সরকারী সম্পত্তি পরিস্কার হয়ে যাবে। একটি কুচক্রী মহল কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে অপ-প্রচার চালিয়ে আমার জমি দখলের পায়তারা করছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা আশরাফ প্রধান আমার কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করলে আমি দিতে রাজি হইনি বলে তারা আমার বিরুদ্ধে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভূল বুঝিয়ে মানববন্ধন করেছে। তার সাথে আওয়ামীলীগ আমলের জাতীয়পার্টি নেতা এবং বর্তমান থানা বিএনপির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বিডিআর, মুক্তিযোদ্ধা সোহেল রানা, সফিকুল ইসলাম মাষ্টারদের যোগসাজশে আমাকে সমাজের চোখে হেয়-প্রতিপন্ন করে আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল করার পায়তারা করছে।
বিগত সরকারের আমলে আপনার জায়গা কিভাবে স্কুলের দখলে ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মতিন বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের প্রভাব খাটিয়ে বড়বড় রাঘববোয়ালরা জোর পূর্বক আমার যায়গা দখলে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা অফিস, মসজিদ ও বাজার তৈরী করে দখলে রেখেছে। এ বিষয়ে আমি মামলা করলেও কোন ন্যায় বিচার পাইনি। তিনি বলেন, ছয় শতাংশ জায়গা ব্যতীত এখানে স্কুলের কোন যায়গা নেই। কাগজে কলমে পুরো সম্পত্তির মালিক আমি।
স্কুলের ছয় শতাংশ জায়গা ব্যতীত যদি অন্যকোন কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেন পুরো সম্পত্তি স্কুলের নামে লিখে দেবে বলেও চ্যালেঞ্জ করেন ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।


