তারুণ্যনির্ভর রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম গণঅধিকার পরিষদ (GOP) ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)। কিন্তু এই দুই দল যদি “বৃহত্তর স্বার্থের কথা” বলে নব্য চাঁদাবাজ ও ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে জোটে যায়, তবে তাদেরও সেই সব অপকর্ম, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির দায়ভার কাঁধে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রনেতা সাজ্জাদ আল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন,
তারুণ্যের দলগুলোর যে অঢেল সম্ভাবনা—যা এখনো পূর্ণ বিকাশের আগেই দেশের মানুষের বিশ্বাস জিতে নিয়েছে—সেটি জোট রাজনীতির ভুল সিদ্ধান্তে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। যাদের ভবিষ্যতে জাতীয় নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা ও সম্ভাবনা রয়েছে, তারা নচেৎ ইনু-মেননদের পর্যায়ে নেমে গিয়ে তাদের জনপ্রিয়তা হারাতে বাধ্য হবে।
সাজ্জাদ আল ইসলামের প্রশ্ন—“মাত্র দুই-চারটি আসন কনফার্মেশন বা দুইটি মন্ত্রণালয়ের লোভে কি কেউ বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থের নামে তারুণ্যের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করবে? নাকি আপোষহীন অবস্থান ধরে রেখে নিজেদের ভবিষ্যৎকে উজ্জ্বল করবে—এটা এখন খুব শিগগিরই স্পষ্ট হয়ে যাবে।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন,যে দলগুলো এবার জোটে যাবে না, অন্যের ‘বিক্ষা দেওয়া’ আসন গ্রহণ করবে না এবং ক্ষমতার ভাগাভাগির প্রলোভনে আপোষ করবে না—তারাই আগামী জাতির নেতৃত্ব দেবে এবং সামনের দিনে ক্ষমতায় আসবে। “বর্তমানের সামান্য স্বার্থ ত্যাগ করলে ভবিষ্যতে তারা সবচেয়ে উঁচু অবস্থানে পৌঁছাবে,”—বলেন তিনি।
তার দাবি,“জনগণ চায় আপোষহীন তারুণ্যের নেতৃত্ব। সন্ত্রাসী, নব্য দখলদার ও দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে জোট করে তারুণ্যের দল কোনোদিনই মানুষের হৃদয় জিততে পারে না।”
গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্যাসিস্ট সরকারের লকডাউনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব মন্তব্য করেন সাজ্জাদ আল ইসলাম।


