দক্ষিণ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের নিশ্চিত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পটুয়াখালী-৩ আসন। গলাচিপা-দশমিনা উপজেলার ১৯ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনটি। সংসদ নির্বাচন এলেই আসনটিতে নতুন নতুন প্রার্থী নিয়ে চমক দেখায় সরকারি দল। তবে বিএনপির এবার আটঘাট বেঁধে নেমেছে। আসনটি দখলে মরিয়া দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক এ দলটি। আন্দোলনকে সামনে রেখে চলা দলটি ভোটের লড়াইয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। এক চুলও ছাড়তে নারাজ তারা।
পটুয়াখালী-৩ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকায় বেশি আলোচনায় আছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য এসএম শাহজাদা, ঢাকা মহান দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফোরকান মিঞা, পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তসলিম সিকদার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম ফজলুল হকসহ ডজন খানেকের বেশি।
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফোরকান মিঞা বলেন, ১/১১ এর সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বেশির ভাগ মামলায় আইনি সহায়তা দিয়েছি। দলকে সু-সংগঠিত করার কাজ করছি। ত্যাগের মূল্যায়ন হলে আমি মনোনয়ন পাবো এবং বিপুল ভোটে নির্বাচনে বিজয়ী হবো।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তসলিম সিকদার বলেন, স্বচ্ছভাবে সব সময় রাজনীতি করেছি। প্রধানমন্ত্রীর দোয়া নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। প্রবীণদের মূল্যায়ন হলে আমিই মনোনয়ন পাবো।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম ফজলুল হকও মনোনয়ন পাওয়ার বিষয় শতভাগ আশাবাদী।
এ আসনটিতে বিএনপির মনোনয়নে একাধিক প্রার্থী হলেও বেশি আলোচনায় আছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।
আলোচনার অন্যতম নাম, জনগণের উপজেলা চেয়ারম্যান খ্যাত দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার মো. ইফতিয়াস উদ্দিন জয়।
জয় ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় হাসান মামুনের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছেন।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে হাওলাদার মো. ইফতিয়াস উদ্দিন জয় বলেন, সবার আগে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশনায়ক তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের আন্দোলন জরুরি।
আওয়ামী লীগ যতোই মাঠে থাকুক তারা এ আসনসহ ৯০ শতাংশ আসনে জামানত হারাবে। আমি সব সময় জনগণ ও দলের নেতাকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমি ছাড়াও হাসান মামুন দল থেকে মনোনয়ন চাইছেন। তিনি যোগ্য ও ভালো নেতা হিসেবে পরিচিত। দল সঠিক প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারলে এ আসনে ইতিহাস সৃষ্টি হবে।


