যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা লাভের বিপুল সুযোগ রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে বৃত্তির সুযোগও। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে এক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি পেশাগত উন্নয়নের সুবিধাদিও তুলে ধরা হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কীভাবে সুযোগ নিতে পারেন তা তুলে ধরতে ‘যুক্তরাষ্ট্রে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এবং উচ্চ শিক্ষার সুযোগ’ শিরোনামে সেমিনারটির আয়োজন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ডিপ্লোমেসি সেকশনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ব্রায়ান ফ্লানিগানের নেতৃত্বে তিনজনের একটি টিম সেমিনারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সে দেশে একাডেমিক শিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। টিমের অন্য দুই সদস্য হলেন- যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানা এবং প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া স্পেশালিস্ট রিকি সালমিনা।
ফ্লানিগান বলেন, আমরা দুই দেশের জনগণের সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। যুক্তরাষ্ট্রে চার হাজার বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ গ্রহন করতে পারে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির সুযোগও রয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৩০ হাজার ৫০০ জন বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা চাই আরও বেশি শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাক। এজন্য সেমিনারের আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষালাভের উপায় ও সুবিধাদিসহ সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন দূতাবাসের পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাটাগরিভিত্তিক উচ্চ শিক্ষালাভ ও বিভিন্ন পর্যায়ের স্কলারশিপের তথ্য দিয়ে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করেন। পরে দূতাবাসের কর্মকর্তা রিকি সালমিনা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট বিভিন্ন প্রশ্ন করে উত্তরদাতা শিক্ষার্থীদের দূতাবাসের পক্ষ থেকে উপহার দেন।
সেমিনার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. সাইফুল ইসলাম। এর আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা।


