ঢাকাWednesday , 11 December 2024
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. কর্পোরেট
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বাংলাদেশ
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুস্বাদু কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

Link Copied!

দেখতে যেমন সুন্দর, খেতে তার চেয়ে বেশি সুস্বাদু। শীতের খাবারে মুখরোচক স্বাদ আনতে মাছ-সবজিতে কুমড়ো বড়ির প্রচলন দীর্ঘ দিনের। শীত মৌসুমকে কেন্দ্র করে অতিযত্ন সহকারে এই খাদ্যপণ্যটি তৈরি করে থাকেন তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নারীরা। তাই এবছর শীতের শুরুতেই
উপজেলায় কুমড়ো বড়ি তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততা বেড়েছে। কারণ শীতের মৌসুমে কুমড়ো বড়ির কদরটা একটু বেশি। এ অঞ্চলের সুস্বাদু কুমড়ো বড়ির চাহিদা রয়েছে দেশ জুড়ে। তাই প্রতি বছরের মতো উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে কুমড়ো বড়ি তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগর ও ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, গ্রামের পিছিয়ে পড়া মানুষের অনেকের ভাগ্য উন্নয়নে শ্রম দিয়ে অনেক বছর ধরে এ কুমড়ো বড়ি তৈরির কাজে নিয়োজিত তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের নওগাঁ গ্রামের প্রায় ২০-২৫টি পরিবার।সরেজমিনে তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের নওগাঁ গ্রামে দেখা গেছে, সারি সারি কুমড়ো বড়ি তৈরি করে শুকানোর জন্য রোদে দিয়েছেন। আর এ কাজের নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও কাজ করে চলেছেন।

সারা বছর তৈরি করা সম্ভব হলেও এটি শীতকালেই বেশি তৈরি করা হয়।উপজেলার নওগাঁ গ্রামের ভাংশিং পাড়ার আব্দুল হামিদ জানান, কুমড়ো বড়ি ব্যবসায়ী পরিবারগুলো প্রথম অবস্থায় তেমন সচ্ছল ছিল না। এই ব্যবসা করে তারা এখন অনেকটাই সচ্ছল অবস্থানে এসেছে। তাছাড়া বড়ি তৈরির জন্য আগে তারা সনাতন পদ্ধতিতে সন্ধ্যায় ডাল ভিজিয়ে রাখতেন এবং পরের দিন তারা কুমড়ো বড়ি তৈরির জন্য ডাল, রং, তেল, টিন ও শীলপাটায় বেটে বড়ি তৈরি করতেন। কিন্তু আধুনিকতার ছোয়ায় এখন মেশিনের মাধ্যমে কুমড়ো বড়ি তৈরির ডাল ফিনিশিং করা হয়।

তাড়াশ পৌর কাঁচা বাজারের কুমড়ো বড়ি ব্যবসায়ী জুবায়ের হোসেন জানান, হাটবাজারে কুমড়ো বড়ি বর্তমানে খুচরা ২৫০-৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে আশা করছেন আর কয়েক দিন পর আরও দাম বাড়বে। কারণ এ বছর ডালের দাম বেশি, তাই কুমড়ো বড়ির দামও বেড়েছে।

উপজেলার কুমড়ো বড়ি তৈরির কারিগর হাসনাহেনা জানান, অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় এ অঞ্চলের কুমড়ো বড়ি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয়। বিশেষ করে রাজধানিতে এর চাহিদা রয়েছে বেশি।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ অঞ্চলের কুমড়ো বড়ির কদর রয়েছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এই কুমড়ো বড়ি তৈরী করে অনেক অস্বচ্ছল পরিবারে আজ স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। প্রয়োজনে এদের সহায়তা প্রদানের কথা জানান তিনি। তিনি আরও জানান এই এলাকায় পুরুষের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাই বেশি কাজ করে চলেছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন