সুনামগঞ্জের পাতলাই নদীতে চাঁদাবাজির খবর হরহামেশাই দেখা যায়।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সরেজমিনে গিয়ে অধিক হারে চাদা আদায়ের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়।
বিগত সরকারের আমলে চাঁদাবাজি হয়েছে, এখনও হচ্ছে। পূর্বের তুলনায় এখন বেশি হারে চাদা আদায় করা হয় বলে জানান,ব্যবসায়ী জনৈক শামসুল ইসলাম। তিনি জানান, বিগত ৪০ বছর যাবত এই পাতলাই নৌপথে বানিজ্য করে আসছেন, এবারের মতো চাদা অতিথে কখনও দিতে হয় নাই, চাদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শারিরীক নির্যাতন সহ নৌকা আটক করে রাখা হয়। তারপর তাদের চাহিদা অনুযায়ী চাদা দিয়ে নৌকা ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া লাগে।
বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদারের নাম্বার বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নাই। তবে কথা হয়েছে কোর্টগারি ইজারাদার পক্ষে লোক মেম্বার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে, তিনি জানান, বিষয়টি ফেরদৌস সাহেব বিস্তারিত বলতে পারবেন, এ বিষয়ে সাবেক তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখুঞ্জি জানান, কোর্টগারির দায়িত্বে মেম্বার দেলোয়ার হোসেন, চাদার হার কত এবং কি, তা মেম্বার সাহেব ভাল বলতে পারবেন, আমি আজ ঘাটে যাবো, বিকালে আমাকে কল দিয়েন।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিআইডব্লিউটিএর পক্ষে অধিক হারে চাদা নেওয়া হচ্ছে শুনেছি, লিখিত অভিযোগ পেলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


