রাত আনুমানিক ৪টা মানুষ যখন গভীর নিদ্রায় মগ্ন ঠিক তখনই যেন সবচেয়ে বেশী জমজমাট মাওয়া মৎস আড়ত । টনে টনে ঝাটকার ৭ টার মধ্যেই গায়েব। মাওয়া আড়তের প্রায় সব দোকনই যেন হয়ে ওঠে অবৈধ ঝাটকা বিক্রির অভয়াশ্রমে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ড্রামে,ড্রামে ক্যারটে করে বাধে বিক্রি হচ্ছে ঝাটকা ইলিশ। প্রশাসন ও আইনের তোয়াক্কা না করেই যে যেভাবে পারছে বিক্রি করছে অবৈধ ঝাটকা।
ঝাটকার বিক্রির যেন হিড়িক পরে যায় কে কার আগে বিক্রি করবে।
তবে এর মধ্যে অধিক যে নামটি উচ্চারিত হয়েছে তা হলো স্থানীয় মেম্বার লিলেন,তার সহযোগী রাশেদ ও রাজা। এরপর রয়েছে সিদাম দাস,নারয়ণ দাস ,আ.মজিদ শেখ,ছানা মেম্বারসহ প্রমুখ।
এ ব্যাপারে মাওয়া মৎস আড়তের সভাপতি জীবন দাস জানান আমিদশদিন যাবত বাসায় গুরুতর অসুস্থ ছিলাম তাই এ ব্যাপারে কোন তদারকি করতে পারি নাই,অপরদিকে মাওয়া মৎস আড়তের মেদেনীমন্ডল ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি ও মাওয়া মৎস আড়তের সেক্রেটারী হামিদুল ইসলামকে প্রশ্ন করলে তিনি ব্যাপারটিকে এড়িযে যান।
এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো.রেজাউল ইসলাম জানান, আমাদের জনবল অনেক কম তারপরেও প্রতিদিন দিনরাত এক করে আমরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি । আজকেও দুপুর ৩টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অভিযান চালাবো। এরই মধ্যে অনেককে জেল জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে মাওয়া নৌ পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মাসুদ জানান বিভিন্ন জায়গায় আমাদের অভিযান চলছে প্রকৃত অপরাধীরা যেন কোনভাবে পার না পায় আমরা সর্ব দা সেই চেষ্টাই চালাচ্ছি ।


