ঢাকা -৩ এর নব নির্বাচিত এমপি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দুর্নীতি এখন ঈদের বকশীসে পরিণত হয়েছে। আমাদের এখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। একেবারে না পারলেও সহনশীল পর্যায়ে আসতে হবে। পরে আস্তে আস্তে জিরো টলারেন্সে যেতে হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ব্যাপক ভূমিকা নিতে হবে। এবং পুলিশ ফাড়ির আশেপাশে মাদকের আস্তনা গড়ে উঠেছে। এই আস্তানা গুলো চিহ্নিত করে মাদকের কবর রচনা করতে হবে। মাদকের ব্যাপারে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না। আগে দেশপ্রধান, দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে গিয়ে আজিমপুর বানিয়ে ছিলেন। বর্তমান সরকার তারেক রহমানের ৩১ দফায় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশের সংস্কার হবে।
আজ মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ঢাকা-৩ এর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট সকল সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এইসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আমি পার্লামেন্টের মানুষ, জনগনের প্রতিনিধি। আমি মন্ত্রিত্ব চাইনা। জনগনকে নিয়ে থাকতে চাই। কেরাণীগঞ্জের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। ঢাকা-৩ আসনকে আমি ঢেলে সাজাইতে চাই। যেখানে থাকবে না কোন মাদক, থাকবে না কোন চাঁদাবাজ, থাকবে না কোন দুর্নীতি। কেরাণীগঞ্জকে একটি পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.উমর ফারুক এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখার বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (মডেল) সহকারী কমিশনার (ভ’মি) জান্নাতুল মাওয়া, কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (দক্ষিণ) সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ, উপজেলা কৃষি অফিসার মহুয়া শারমিন মুনমুন, প্রাণিসম্পদ অফিসার ড.মো. আব্দুর সাত্তার বেগ, উপজেলা মৎস্য অফিসার কারিশমা আহমেদ জাকসি, উপজেলা প্রকৌশলী মো.আরিফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোজদ্দেদ আলী বাবু, কেরাণীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো.নাজিম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সুলতান নাসের প্রমুখ।


