:: প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা ::
২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের দু’টি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের অষ্টম দিনে সাক্ষ্য দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক অ্যাড. আজহারুল ইসলাম। সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য্য করা হয়েছে আগামী ১৭ অক্টোবর।
আজ রোববার সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মণ্ডলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এসময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিতি ছিলেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৩৯ আসামি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী ঢাকা সুপ্রীম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদিন জানান, একই সাক্ষীতে দু’টি মামলা চলতে পারে না। হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে এ মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র এ আইনজীবী।
সাতক্ষীরা আদালতের সরকারি আইনজীবী আবদুল লতিফ বলেন, এ পর্যন্ত ১১ জন আইনজীবী আদালতে স্বাক্ষ্য দিয়েছেন।
২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্ষণের শিকার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা কলারোয়ায় দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহী বাস রাস্তার ওপর আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের এক ডজন নেতা-কর্মী আহত হন। এ ঘটনায় করা হামলা মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ নেতা-কর্মীকে চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির। এ ছাড়া গত ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর দুটি মামলায় চার্জ গঠন করা হয়।


