ঢাকা শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে গণ অধিকার পরিষদের তরুণ প্রার্থীদের নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-১৯ আসনে এ্যাডভোকেট শেখ শওকত হোসেন ফরহাদ, ঢাকা-১৮ আসনে আহসান হাবিব এবং ঢাকা-৩ আসনে সাজ্জাদ আল ইসলাম—এই তিন তরুণ তুর্কি এখন জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায় তারা নিরলসভাবে ছুটে বেড়াচ্ছেন জনগণের দ্বারে দ্বারে। তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের চেয়ে গণ অধিকার পরিষদের এই তিন তরুণ নেতার প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সমর্থন চোখে পড়ার মতো।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তারা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হন—হামলা, মামলা, হয়রানি কিছুই বাদ যায়নি। তারপরও জনগণের অধিকারের পক্ষে তারা লড়াই চালিয়ে গেছেন দিন-রাত এক করে।
এ্যাডভোকেট শেখ শওকত হোসেন ফরহাদ বলেন, “দেশের আইনের শাসন ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। বিগত ৫৪ বছরে মানুষ তাদের ন্যায্য নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, ইনশাআল্লাহ আইন খাতে সমতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবো।”
ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী আহসান হাবিব বলেন, “আমি পেশায় একজন পাইলট—উপরে থেকে বিশ্ব দেখি, কিন্তু হৃদয়ে অনুভব করি বাংলাদেশকে। ক্ষুদ্র এই দেশেই আছে অপার সম্ভাবনা। আমি তরুণদের আলোয় দেশকে আলোকিত করতে চাই।”
অন্যদিকে ঢাকা-৩ আসনের সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী সাজ্জাদ আল ইসলাম বলেন, “আমাদের একটাই লক্ষ্য—মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা। প্রয়োজনে নিজের জীবন দিয়েও তা রক্ষা করবো। আজও দেশের মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। যদি সুযোগ পাই, ইনশাআল্লাহ তারুণ্যের এই বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে নতুন ধারার এক বাংলাদেশ গড়বো।”
এই তিন তরুণ নেতার দৃঢ় অঙ্গীকার, সাহসিকতা ও জনগণের ভালোবাসা প্রমাণ করছে—বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে, এবং সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত গণ অধিকার পরিষদের এই তারুণ্যনির্ভর প্রজন্ম।


